THE BEST SIDE OF চটি গল্প

The best Side of চটি গল্প

The best Side of চটি গল্প

Blog Article

মা- বিয়েতে কত কিছু লাগে জানিস তো। ব্রামন লাগে অগ্নি সাক্ষী করে বিয়ে করতে হয়। সে কি করে হবে।

মা- দরকার নেই তুইই সব আর ওকে দরকার নেই, তুই আমাকে সুখি কর তাতেই হবে।

মা- বের করে দেখল লাল শাড়ি লাল ব্লাউজ, লাল ব্রা, লাল ছায়া সব। মা বলল একি এগুলো আমি পড়ব।

আমি- হ্যাঁ মা সত্যি তাই, মা ছাগল কি করে হয় নিজের ছেলের সাথে হতে পারে ওরা বোঝেনা।

সকালে ঘুম থেকে উঠে মায়ের দেহ দেখতে ব্যাস্ত হলাম এখন শুধু মায়ের দেহ নিয়ে কামনা শুরু হল। কি করে কি করব ভাবতে লাগলাম। জমিতে কাজ ছিল আবার চাষ শুরু করতে হবে। আমার সাথে মাও গেল জমিতে। সারাদিন ট্র্যাক্টর চালালাম, মা আমাকে খাবার দিল বাড়ি আর ফিরি নাই। চাষ হল এবার দুইদিন শুকাবে তারপর বীজ ফেলতে হবে।

আমি- মা আর দুঃখ করবে না তো। তোমার যা লাগবে আমাকে বলবে আমি কিনে দেব, একটুও লজ্জা করবে না।

মা- তবু বিয়ে করতে হবে, বিয়ে ছাড়া হয় না। অন্য কোন উপায় নেই।

আমি ও মা bangla choti golpo গেলাম, মা ছাই নিয়ে গেল আমি ধরলাম ৩ টে বাচ্চা হল দুটো পাঁঠা এবং একটা ছাগল। গরম জল দিয়ে স্নান করিয়ে ওদের রেখে আমরা ঘরে এলাম তখন সকাল হয়ে গেছে।

মা- এবার হয়েছে দেখবি ৫ টা বাচ্চা হবে একবারে।

মা- তবে চল তোর মামা বাড়ি থেকে ঘুরে আসি। শ্যামল কে বলবি বাড়িতে থাকতে আমরা একদিন থেকে চলে আসব।

আমি- হ্যাঁ পড়ে দেখ মা, মাপে না হলে ওরা বলেছে পাল্টে দেবে।

মা- বলল না পারে নাকি দুবার হয়ে গেল নে এবার বেধে রেখে দে আমি খাবার দিচ্ছি। আমি ধরে দারিয়ে আছি মা খেতে দিচ্ছে। মা খাবার দিয়ে বলল কি হল বাঁধ।

আমি- পাগল আমি আবার কাকে বলতে যাব। আমার কি কোন বুদ্ধি নেই। আজে বাজে রটিয়ে দিতে পারে কি বল মা।

মা- তাই তবে পড়ে দেখি বলে ঘরের ভেতরে গেল আমি বারান্দায় বসে রইলাম। বেশ সময় হয়ে গেল।

Report this page